মিরপুর ১০ এ থাকে এমন এক পরিচিত বড় ভাই ফোন দিছে,

0
141

মিরপুর ১০ এ থাকে এমন এক পরিচিত বড় ভাই ফোন দিছে,
– কই তুই?
– ভাই বাসায়।
– রোজা আছিস?
– না ভাই, পিরিয়ড চলতেছে।
– হারামজাদা মেজাজ ভয়াবহ খারাপ এর মধ্যে উল্টাপাল্টা কথা বললে থাপড়ায়ে দাঁত ফেলায় দেব।
– ওহো, এখন মনে পরছে ভাই। সেহেরী খাই নাই।
– এই মুহুর্তে নিচে নাম, কাকার দোকানে আয়।
হেলতে দুলতে নিচে নামলাম। বড় ভাই কাকার দোকানে চোখ মুখ শুকনা করে বসে আছে।
– ভাই কি হইছে?
– আমি শ্যাষ রে।
– ধুর ভাই কি হইছে খুলে বলেন।
– সকালে অফিস যাইতেছিলাম।
– চাকুরী করেন অফিস তো যাবেনই।
– আরে বাল, পুরা কথা আগে শোন। অফিস যাইতেছি এমন সময় মোবাইল এ মেসেজ আসছে।
– গ্রামীণ ফোন রে এই জন্যই আমি দেখতে পারি না। শালারা সময় অসময় বোঝেনা। ভাইয়ে অফিস যাইতেছে এখন তোদের মেসেজ দেয়ার কি দরকার।
– আরে হোগা, গ্রামীণ এর মেসেজ না।
– বুঝছি। উবার এর মেসেজ। কত পার্সেন্ট ডিস্কাউন্ট পাইছেন ভাই?
– চুপ হারামী। খুব কাছের একজন এর নাম্বার থেকে মেসেজ আসছে।
– ও, শিওর ট্যাকা ধার চাইছে না?
– না
– ওঃ এইবার বুঝছি, ইফতারির দাওয়াত দিছে?
– আরে বোকাচোদা ইফতারির না।
– তাহলে ভাই?
– মেসেজ আসছে, “জামাই বাসায় নাই, তুমি জলদি চলে আসো। গরুর মাংস আর খিচুরি রান্না করতেছি”
– বলেন কি? ঝিরঝির বৃষ্টি, যে রোমান্টিক আবহাওয়া। আপনার তো ভাই ঈদ। আপনার কপাল ভাই। এই রকম মেসেজ পাইতে কপাল লাগে। দৌড় দেন ভাই। চোখ মুখ শুকনা করে বসে আছেন ক্যান?
– মেসেজ আসছে তোর ভাবির নাম্বার থেকে।
– ওই কাকা! তোমার সমস্যা কি? এক কাপ চা দিতে এতক্ষণ লাগে? আর এই বালের বৃষ্টি থামে না ক্যান? রাস্তা ঘাট সব কাদা কাদা বানায়ে ফেলতেছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here