স্বামী নির্যাতন” অতঃপর ভালোবাসা শেষ পাট

0
244

স্বামী নির্যাতন” অতঃপর ভালোবাসা

হিংসুটে ছেলে
—–part 3—–শেষ পাট

যাক অবশেষে আমার অবুর রাগ
ভাঙলো তাহলে।
—অবু? কে অবু?
—কে আবার অনুর বোন অবু।
—তাই?
—এখন থেকে আমি তোমাকে অবু বলেই
ডাকবো।
—হহু। মনে থাকে যেন। আমি ছাড়া আর
কোন মেয়ের দিকে তাকাবা না।
—ঠিক আছে।
—ঠিক আছে। আমি ঘুমাবো।
,
,
আমার বুকে মাথাটা গুজে দিলো
অবন্তিকা। স্যরি অবন্তিকা না অবু।
আমার অবু।
,
,
লেখাটা শেষ করে সেন্ড বাটনে
ক্লিক করলাম। কিছুক্ষন পরই রিপ্লে
আসলো।
,
,
—কি এটা?”
—তোর আর আমার বিয়ের পরের
কাহিনি।
—আমি তোকে বিয়ে করবো কোন
দুঃখে।
—তোকে বিয়ে করতে কে বলেছে।
—তাহলে?
—বিয়ে করতে হবে না। আমার সাথে
বাসর হলেই হবে।
—বাসর ঘরে কি করবি?
—আমি তোর ছোট বোন অনামিকার
সাথে গল্প করবো।
—তাইলে আমি কি করবো?
—রবীন্দ্র সঙ্গীত শুনবি। আমারো
পরানো…… যাহা চায়………
—যা, শালা।
—তুই যা শালি।
—হেত।
—হুত।
—ডিসুম।
—ডাসুম।
—ঠাশ।
—ঠুশ।
—ধড়াম।
,
,
না এবার আর মেসেঞ্জারে নয়।
বাস্তবেই ধড়াম করে আমার পিঠে এক
কিল বসিয়ে দিলো অবন্তিকা।
,
,
—কিরে তুই কখন এলি?
—ক্যান কলেজটা কি তোর বাপের?
—না তোর শ্বশুরের।
—চল।
—কোথায়?
—ফুচকা খাবো।
—টাকা নাই।
—আমি দেব।
—দে তাহলে।
—তোকে দেব কেন? তুই কি
ফুচকাওয়ালা মামা।
—না।
—তাহলে?
—তুই আমাকে দিবি, আর আমি
মামাকে দেব। হাজার হলেও আমি
ছেলে তুই মেয়ে।
—আচ্ছা নে।
,
বলেই আমার হাতে টাকা ধরিয়ে
দিলো।
,
—যা এবার অর্ডার দে।
—টাকা তো তোর কাছে তুই অর্ডার
দে।
—তুই খাওয়াচ্ছিস তুইই অর্ডার দে।
,
অবশেষে অবন্তিকাই অর্ডার দিলো।
দুজনেই ফুচকা খেয়ে শেষ করলাম।
,
—দোস্ত থেংকু।
—কেন?
—খাওয়ানোর জন্য।
—ওয়েলকাম।
—এবার বিলটা দিয়ে দে।
—টাকা তো তোর কাছে।
—খাওয়াবি তুই আর বিল দেব আমি। এ
কেমন বিচার?
—আরে টাকাতো আমিই দিছি।
—টাকায় কারো নাম লিখা নাই। সো
পে দ্যা বিল।
—টাকা দে কইতাছি।
—না দিমু না। মামা ওর কাছ থাইকা
টাকা রাখেন।
বলেই দৌড় দিলাম। অবন্তিকাও আমার
পেছন পেছন দৌড়াচ্ছে। আমাকে ধরার
জন্য।
—কিরে মামার টাকা দিয়ে আয়।
—মামা আমি পরে দিচ্ছি। ঐ তুই
খাড়া, আমার টাকা দিয়া যা।
—তোর বোন যে আমার মানিব্যাগ
ফাকা কইরা দিলো…
—ঐ শালা অনামিকা কখন টাকা
নিলো।
—ক্যান গল্পে?
—ঐটাতো গল্পে নিছে।
—তাইতো আমি বাস্তবে নিতাছি।
—আরে শালা দাড়া। গল্পে তো ও
তোর শালিকা।
—বাস্তবে তো তোর বোন।
—আকাশ টাকা দিয়া যা কইলাম না
হইলে ভালো হইবো না কইলাম।
—কি করবি শুনি?
—তোরে বাসর ঘরে বাইন্ধা রাখুম।
—ঐটাতো গল্প।
—আমি তোরে বাস্তবেই বাইন্ধা
রাখুম। তোরে বাইন্ধা আমি একা একা
খাটে ঘুমামু……
—সে পরে দেখা যাবে। আপাতত আমি
গেলাম।
—দাড়া বলছি শালা……
,
,
কে শোনে কার কথা। আমি দৌড়েই
চলেছি। আমার পেছনে ছুটে চলেছে
অবন্তিকা। বাকি জিবনটা তো
আমাকেই ওর পেছনে দৌড়াতে হবে।
এখন নাহয় অবন্তিকাই দৌড়াক। স্যরি
অবন্তিকা না অবু। আমার অবু।

সমাপ্ত।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here