গল্পঃরুমাল পর্বঃ০২ 

2
808

গল্পঃরুমাল পর্বঃ০২
মালিবাগে চল্লিশোর্ধ্ব যে মহিলা চব্বিশ-পঁচিশ বছর বয়সী এক ছেলের সাথে তার সেক্স ভিডিও ভাইরাল হওয়াতে সুইসাইড করেছিল তার মেয়েও নাকি রুমাল মাখা বিষে মারা গেছে?

-জ্বি স্যার। আমরা অনেকটা এগিয়ে গিয়েছি।দ্রুত আপডেট জানাবো আপনাকে।

মোস্তাক সাহেব,আপনার প্রতি ভরসা আছে।মেয়েটার মামা শ্বশুর আমার বন্ধু। দ্রুত কিছু একটা করুন নাহলে মুখ দেখাতে পারবোনা। উর্ধতন পুলিশ অফিসার সাকলাইন মাহমুদ হতাশ গলায় এটুকু বলেই ফোন রেখে দিলেন।

স্যার, আসব?

-হ্যাঁ আসো।আচ্ছা সাজু, রুমাল বিক্রি করা মেয়েটার খোঁজ পেলে বললে,তাকে আনতে ফোর্স পাঠাওনি?

জ্বী স্যার।ফোর্স পাঠানো হয়েছে।মেয়েটা ভাষানটেক থাকে। ট্রাফিক পুলিশ বললো মেয়েটা অনেকদিন থেকেই ফার্মগেট, বিজয় স্বরণী,জাহাঙ্গীর গেটের দিকে রুমাল বিক্রি করে।

-মেয়েটাকে ধরতে পারলে যদি কিছু বের করা যায়।ছেলেটার খবর কি? লাস্ট আপডেট জানো?

ছেলেটার ব্র‍্যাক ইউনিভার্সিটিতে পড়ত। নাম রাশেদ।চার সেমিস্টার পেরোনোর আগেই ভার্সিটি কতৃপক্ষ তাকে ভার্সিটি থেকে বের করে দেয়। ছেলেটা এর আগেও নাকি বেশ কিছু মেয়ের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিয়েছিল প্রেমের ফাঁদে ফেলে।কিছু মেয়ের কাছ থেকে নাকি মাস ছয়েক আগেও তাদের সাথে কাটানো অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ছবি ফাঁস করে দেবার ভয় দেখিয়ে টাকা নিচ্ছিল।তবে শেষ ছয় মাস ধরে ছেলেটার খোঁজ কেউ জানেনা।শোনা যায় ছেলেটা প্রায় মিশর,সৌদি আরব,তুরস্কে আসা যাওয়া করে।যদিও দেশে নাকি বছরের বেশি সময় থাকলেও সে কোথায় থাকে তার হদিস কেউ দিতে পারলোনা।

-ছেলেটার ফ্যামিলি মেম্বার কে বা কারা কিংবা কোথায় থাকে এই ব্যাপারে কিছু জানলে?

ছেলেটার মা নাকি মধ্যপ্রাচ্যে থাকে। বাবা নেই।

-মোস্তাক আহমেদ খানিক্ষন ভেবে ঠান্ডা গলায় বললো, ধরে নিলাম ছেলেটা টাকার লোভে ঝুমুরের সাথে সখ্যতা গড়ে তুলে অবৈধ সম্পর্কে জড়িয়েছিল। এটাও ধরে নিলাম সেক্স ভিডিওটা সে মোটা অঙ্কের টাকা আদায়ের জন্য করেছিল কিন্তু ঝুমুরের মেয়ে মিম! তাকে খুন করল কে? দুটো কেসকে আলাদা মনে হচ্ছে। আবার দুটো কেসেরই যোগসূত্রতা আছে বলে মনে হচ্ছে।কোনটা ঠিক আর কোনটা ভুল সব পরিষ্কার হবে রুমাল বিক্রি করা মেয়েটা আর রাশেদকে ধরলে।

স্যার,আমারা যদি ধরে নিই রাশেদ নামের ছেলেটার সাথে নাজমুল সাহেবের ফ্যামিলির কোন পূর্ব শত্রুতা আছে তাহলে কি ব্যাপারটা সহজ হয়ে দাঁড়ায় না?

– না নাজমুল সাহেবের ফ্যামিলির কেউ ই রাশেদকে চেনেনা।মিস নূপুরকে পাঠিয়েছি নাজমুল সাহেবের বাড়িতে।মিমের হাজব্যান্ডও সেখানে আছে।খুঁটিনাটি সব ইনফরমেশন জেনে আসতে বলেছি।

সাজু কিছু একটা বলতে যাচ্ছিল এমন সময় মোস্তাক আহমেদের ফোন বেজে উঠল।

হ্যালো, তৌফিক সাহেব।

-স্যার,রুমালে যে বিষ ছিল সেই বিষের অস্তিত্ব আমাদের দেশে নেই।গোটা এশিয়াতেও পাওয়া যায়না বলেই আমি জানি।যতটুকু জানতে পেরেছি এই বিষ মধ্যপ্রাচ্যে পাওয়া যায়। জুহুরু নামের এক সম্রাটের মৃত্যুর পর তার বালিশের কভারে এই বিষের অস্তিত্ব পাওয়া গিয়েছিল।তবে এই বিষের মূল্য অনেক, ছয় ফোটা বিষের জন্য লাখ খানেক টাকা খরচ করতে হয়।

রীতিমতো বিস্ময়কর ব্যাপারস্যাপার! আচ্ছা তৌফিক সাহেব আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। পরে আবার যোগাযোগ করব প্রয়োজনে।

মোস্তাক আহমেদ দাঁত দিয়ে নিচের ঠোঁট কামড়ে ধরে খানিক্ষন চুপ থেকে বললো,সাজু এই রাশেদই মনে হচ্ছে মিমকে মেরেছে।তৌফিক সাহেব বললেন,যে বিষে মিমকে মারা হয়েছে সেই বিষ মধ্যপ্রাচ্য থেকে এসেছে।তোমার দেয়া ইনফরমেশন মোতাবেক রাশেদ প্রায়ই সৌদি, তুরষ্কে যাওয়া আসা করে।আপাতদৃষ্টিতে এই রাশেদ ছাড়া কারো ঘনিষ্ঠতা চোখে পড়ছেনা। এক কাজ করো,এয়ারপোর্টে জানিয়ে দাও রাশেদ নেক্সট কোন ফ্লাইট ফিক্সড করলে আমাদের যেন জানিয়ে দেয়।আর সর্বশেষ রাশেদ যে দেশে গিয়েছিল সেখানকার এয়ারপোর্টে খোঁজ নিয়ে দেখো রাশেদ কোনদিন দেশে ফেরে। আর এয়ারপোর্টে কেউ তাকে রিসিভ করতে গিয়েছিল কিনা।একটু কষ্ট হবে জানি তবে আমাদের দূতাবাস পুরো সাহায্য করবে বলেই বিশ্বাস।

শিওর স্যার।আমি এক্ষুনি খোঁজ লাগাচ্ছি।

সাজু বের হতেই মিস নূপুর মোস্তাক আহমেদের রুমে ঢুকল।

স্যার।ফ্যামিলিটা খুবই ভেঙে পড়েছে।মিমের হাজব্যান্ড দু তিনবার ফিট হয়ে পড়েও গিয়েছিল এর মাঝে।

-বুঝতে পারছি।পরপর দুটো মানুষের এভাবে চলে যাওয়া মেনে নেয়া যায়না।তো কোন ইফেক্টিভ ইনফরমেশন পেলে?

না স্যার তেমন কোন ইনফরমেশন পেলাম না।উনাদের ফ্যামিলির কোন পূর্ব শত্রু নেই।উনাদের কাউকে সন্দেহও হয়না।আচ্ছা স্যার, একটা ব্যাপার কি খটকা লাগছেনা আপনার?

-কোন ব্যাপারটা?

এইযে,মিমের কাছে কোন পানির বোতল ছিল না।সে চাইলে পানির বোতল কিনতে পারতো,বাদাম কিনতে পারতো।এগুলো না কিনে কেন সে রুমাল কিনতে গেল? যদিও তার ব্যাগে ব্রান্ডের টিস্যু ছিল, আবার একটা নীল রঙের রুমালও ছিল তবুও কেন সে অন্য একটা রুমাল কিনতে গেল?

– হ্যাঁ, ভেবেছি।আমার মনে হয় মিমের রুমালের প্রতি ভালো লাগা ছিল। আর এটা কেউ জানতো।তবে কে জানতো সেটাই বড় প্রশ্ন।

স্যার,মিমের ফ্যামিলি বলছে মিমের রুমাল প্রীতি ছিল।আর সূঁচের কাজ করা সুন্দর নকশার রুমালের প্রতি তার দুর্বলতাও ছিল ভীষণ। যে মিমকে খুন করেছে সে এগুলো জেনেই করেছে।

সাজু রুমের বাইরে থেকে বলল,স্যার আসতে পারি?

-হ্যাঁ আসো।

স্যার, রুমাল বিক্রি করা মেয়েটার নাম ইসমা।মেয়েটাকে জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে সেদিন রাশেদই মেয়েটাকে এক হাজার টাকা দেয়। মিমের গাড়িটা দেখিয়ে দিয়ে ঐ রুমালটা মিমকে দেখিয়ে কিনতে বলে । মেয়েটা নাকি জানতোনা তাতে বিষ মাখানো ছিল।

-বুঝতে পারছিলাম মেয়েটাকে ব্যবহার করা হয়েছে।আচ্ছা সে রাশেদের কোন খোঁজ জানে?

না স্যার।মেয়েটা নাকি সেদিনই প্রথম দেখেছিল রাশেদকে।

-আচ্ছা, তুমি মেয়েটাকে জিজ্ঞাসাবাদ করো।রাশেদের সাথে আর কেউ ছিল কিনা।

আমি করেছি।কিন্তু শুধু রাশেদই ছিল সেদিন।

মাস দুয়েক মিম আর ঝুমুরের কেসটা শ্লথ গতিতে এগোচ্ছিল।রাশেদের খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না।এক বৃষ্টির রাতে বাংলাদেশ বিমান থেকে জানানো হয় রাশেদ পরদিন রাত দশটায় তুরষ্ক যাচ্ছে। এয়ারপোর্ট থেকে রাশেদকে গ্রেফতার করা হয়ে রিমান্ডে নেয়া হয়েছে।

পুলিশ অফিসার শাহরিয়ারের কাঁধে রিমান্ডের দায়িত্ব পড়েছে।মাথার উপর একশ ওয়াটের লাল বাতি জ্বলছে।বিশাল দেহের শাহরিয়ার নির্বিকার ঘেমে চলেছে।রাশেদের চোখেমুখে ভয়ের বিন্দুমাত্র ছাপ নেই।

শাহরিয়ার রাশেদের চোখে চোখ রেখে বললো,প্রথম প্রশ্ন,ঝুমুরের সাথে সেক্স করে সেই ভিডিও ভাইরাল করলি কেন?

-আমি কোন ভিডিও ভাইরাল করিনি।আর আমি বা ঝুমুর কেউ ই ভিডিও করিনি।

মিথ্যা বলবিনা,তুই আগেও অনেক ভিডিও করে নানান মেয়েদের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নিয়েছিলি।

-হ্যাঁ আমি তা স্বীকার করছি তবে আমি ঝুমুর আর আমার ভিডিওটা করিনি।

শুয়োরের বাচ্চা,তোর পেছন দিয়ে ডিম ভরে দেবো।নখ উপড়ে ফেলবো আর একটা মিথ্যা বললে।

-আপনি খবরদার গালি দেবেন না।একটা কথাও বের করবোনা মুখ থেকে।

শাহরিয়ার চেয়ার ছেড়ে উঠে দাঁড়িয়েই সামনে বসা রাশেদের মুখ বরাবর লাথি মেরে ফ্লোরে ফেলে দেয়। রাশেদের নাক থেকে গলগলিয়ে রক্ত ঝরছে।ঠোঁটের খানিকিটা কেটে গেছে। সেলের বাইরে থাকা জাহেদ মিয়া শাহরিয়ারের ইশারায় রাশেদকে চেয়ারসহ ফ্লোর থেকে তুলে উঠিয়েছে। রাশেদের নাক,ঠোঁট থেকে রক্ত ঝরেই যাচ্ছে।শাহরিয়ার বেনসন সুইচ ধরিয়ে একনাগাড়ে সিগারেট টেনে জ্বলন্ত সিগারেট দিয়ে রাশেদের ঘাড়ে ছোঁপ দেয়াতে রাশেদ মাগো বলে চিৎকার করে উঠলো। শাহরিয়ার নিজের চেয়ারে বসে শান্ত গলায় বললো, বল ভিডিও কেন ভাইরাল করলি?

রাশেদ কাঁদতে কাঁদতে বললোঃ

-স্যার,সত্যিই আমি ভিডিও ভাইরাল করিনি।এগুলো নিশ্চয়ই জহিরের কাজ।স্যার বিশ্বাস করেন আমি ঝুমুরের কাছ থেকে শুধু সত্তর হাজার টাকা নিয়েছিলাম, আর জহিরের কাছ থেকে দুই লাখ।জহিরই আমাকে বলেছিল ঝুমুরকে বিছানায় নিতে পারলে সে দুই লাখ টাকা দেবে।আমি কখনো এতগুলা টাকা একসাথে পাইনি তাই কাজটা করেছিলাম।ঝুমুরকে প্রেমে ফেলেছিলাম জহিরের কথাতেই,চিটাগং গিয়ে যে হোটেলে ছিলাম সে ব্যবস্থাও জহির করে দিয়েছিল।আমি যখন জিজ্ঞেস করি এতে তার লাভ কি সে উত্তর দেয়নি।বিশ্বাস করেন আমি ভিডিও করিনি সেদিন।এটুকু বলেই রাশেদ আরো জোরে কান্না শুরু করে দিলো।

শাহরিয়ার খানিক্ষন কি যেন ভাবল। মিনারেল ওয়াটারের বোতলে মুখ লাগিয়ে ঢকঢক করে অর্ধেক পানি শেষ করে রাশেদের চোখের দিকে অগ্নিদৃষ্টি নিক্ষেপ করে বললো, মিমকে কেন মারলি?

-রাশেদ এবার কান্না থামিয়ে বললো,মিমকে আমি কেন মারবো! স্যার কি বলছেন এইসব!

শাহরিয়ার ক্ষ্যাপা ষাড়ের মত রাশেদের দিকে ঝুঁকে এসে বললো,শুয়োরের বাচ্চা একদম নাটক করবিনা।মিমকে রুমালে বিষ মাখিয়ে মারিস নাই তুই? ইসমার কাছে রুমাল দিস নাই তুই?

– আমি তো শুধু রুমাল ই দিয়েছিলাম। বিষ দিব কেন! স্যার বিশ্বাস করেন আমি এই খুন,ভিডিও ভাইরালের কিচ্ছু জানিনা।আমাকে জহিরই বলেছিল আমি যদি মিমের কাছে কোনভাবে এই রুমালটা পৌঁছে দিতে পারি তবে আরো দু লক্ষ টাকা দেবে আমাকে।আমি স্রেফ টাকার জন্য কাজ করেছি।খুন করিনি কাউকে, বিশ্বাস করেন স্যার।

নাটক কম কর।ইনফরমেশন আছে তুই তুরষ্ক থেকে আসার চারদিন পরেই মিম খুন হয়।আর যে বিষে তাকে মারা হয় সেই বিষ তুরষ্ক থেকেই এসেছে।তোকে বাঁচানোর কেউ নেই আর।সত্যিসত্যি সব বলে দে সাজা কিছুটা কম পাবি।

-আমি তুরষ্ক থেকে কোন বিষ আনিনি।আনলে এয়ারপোর্টে সেটা আটকা পড়ে যেত,আপনারা এটা তো বিশ্বাস করুন

শাহরিয়ার সেলের বাইরে যেয়ে মোস্তাক আহমেদের সাথে খানিক্ষন কথা বলে আবার সেলের ভেতর ঢুকে রাশেদকে বললো,তুই তুরষ্ক কেন গিয়েছিলি?

-স্যার আমি সব সত্যি স্বীকার করেছি। এখনো সত্যিই বলবো।আমার পাপের শেষ ছিল আমি বুঝিনি,আজ বুঝতে পারছি দ্রুত টাকা কামানোর জন্য কত পাপ করেছি।আসলে জহির জানত আমি প্রায়ই তুরষ্ক মায়ের কাছে যেতাম।আমার মা সৌদি আর তুরষ্কে পাথরের ব্যবসা করেন।

একদিন জহির বললো,তুরষ্ক থেকে ইস্কান্দার নামের একজনকে পনেরোশ ডলার দিয়ে একটা কৌটা নিয়ে আমি যেন তুর্কি এলেমদার পোর্টে পৌঁছে দিই।কৌটার ভেতরে কি ছিল আমি জানতাম না।এখন বুঝতে পারছি ঐ কৌটাতেই বিষ ছিল। দেশে ফেরার পর জহির আমাকে ঠিক সেই কৌটাটা দিয়ে বলে আমি যেন কৌটার সম্পূর্ণ তরলটুকু তার দেয়া রুমালে মাখিয়ে সেটা পলিথিনে মুড়ে মিমের কাছে যেকোনো ভাবে হোক পৌঁছে দিই।মিমকে আমি জহিরের দেয়া ফুটেজ থেকেই চিনেছিলাম।

শাহরিয়ারের কপাল ঘেমে গেছে।শাহরিয়ার রাশেদের চোখের দিকে শান্ত চাহনি দিয়ে বললো,ধরে নিলাম তুই সত্যিই বলছিস।টাকার বিনিময়ে কাজ করেছিস কিন্তু এই জহিরটা কে? একে কোথায় পাবো?

– জহির চিটাগং থাকে।বয়স পঞ্চাশের উপর।প্রায় দেখতাম কার সাথে যেন ফোনে কথা বলতো।বস বস বলে মুখে ফেনা তুলে ফেলত সেই কলটা আসলেই।যতটুকু বুঝেছি জহিরের সেই বসের নির্দেশেই সে কাজ করতো।

শাহরিয়ার আরেকটা সিগারেট ধরাতে ধরাতে বললো,জহিরের ফোন নম্বর আর ঠিকানা দে।

– জহিরের ফোন বন্ধ দুদিন ধরে।আমি তার কাছে লাখ তিনেক টাকা পাবো।সেটাও দেয়নি।আমাকে দুদিন আগে ফোন দিয়ে বললো সময় হলে সে আমাকে ফোন দেবে।আর তার ঠিকানা আমি জানিনা।সে আমার সাথে একেক সময় একেক জায়গায় দেখা করত ।

অপরাধী সত্যি বলছে নাকি মিথ্যে বলছে সেটা বোঝার জন্য বেশ কিছু কৌশল রয়েছে।শাহরিয়ার সেই কৌশল খাটিয়ে বুঝে নিয়েছে রাশেদ যা বলার সত্যিই বলেছে।

রাশেদের দেয়া বর্ণনা অনুযায়ী জহিরের বেশ কিছু পোট্রের্ট আঁকা হয়েছে।নাজমুল সাহেবের ফ্যামিলি, মিমের হাজব্যান্ডকে সে পোট্রের্ট দেখানোর পর তারা বলেছে এমন কাউকে তারা আগে কখনো দেখেনি।

মালিবাগ থানা জহিরের পোট্রের্ট ডিবি কার্যালয় সহ চিটাগং এর বেশ কিছু থানায় পাঠিয়ে দিয়েছে।

চলবে….

পর্বঃ০২
লিখেছেনঃ Borhan uddin

2 COMMENTS

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here